1. admin@news1.mshop.com.bd : DNB TV :
October 19, 2026, 12:52 pm

মাদ্রাসায় নির্যাতন ইস্যুতে নবাবগঞ্জে মানববন্ধন

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, April 21, 2026
  • 1 Time View
মাদ্রাসায় নির্যাতন ইস্যুতে নবাবগঞ্জে মানববন্ধন
মাদ্রাসায় নির্যাতন ইস্যুতে নবাবগঞ্জে মানববন্ধন

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বারুয়াখালী ইউনিয়নের জৈনতপুর আশরাফুল উলুম মাদ্রাসায় চার শিক্ষার্থীকে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং অভিযুক্ত দুই শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বেলা ১১টায় মাদ্রাসার প্রধান ফটকের সামনে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে অংশ নেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের পরিবার, স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা। পরে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. জাকারিয়া ও মো. নান্দানের শাস্তির দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়, যা এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থী সাঈদ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষক নান্দান তার পায়ের ওপর প্রায় দুই মিনিট দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি চিৎকার করলেও শিক্ষক কর্ণপাত করেননি, বরং পরে বেত দিয়ে মারধর করেন।

আরেক শিক্ষার্থী ছোয়াইব হোসেন জানায়, পড়া না পারায় শিক্ষক জাকারিয়া তাকে বেত দিয়ে ৮ থেকে ৯ বার আঘাত করেন এবং হুমকি দেন। একই ধরনের অভিযোগ করেছে অপর দুই শিক্ষার্থী জুনায়েত কাজী ও সিফাতও। তাদের দাবি, অভিযুক্ত দুই শিক্ষক বিভিন্ন অজুহাতে নিয়মিত শারীরিক নির্যাতন করতেন।

মানববন্ধনে জুনায়েত কাজীর বাবা মুন্নু কাজী বলেন, “আমার ছেলেকে অমানবিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কাছে গিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। থানায় অভিযোগ করেও সমাধান হয়নি। আমরা এখন আমাদের সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।”

জুনায়েতের মা জান্নাতুল আক্তার অভিযোগ করেন, তার ছেলেকে কান ধরে দীর্ঘ সময় উঠবস করানো হয় এবং এতে তার কানে আঘাত লাগে। অপরদিকে সাঈদের মা সুমি আক্তার বলেন, সামান্য দুষ্টুমির কারণে তার ছেলেকে এক পায়ে দাঁড় করিয়ে রাখা ও লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়েছে, যার চিহ্ন এখনও রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে মাদ্রাসায় সরেজমিনে গিয়ে অধ্যক্ষ আশরাফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।

ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জুনায়েত কাজীর বাবা মুন্নু কাজী নবাবগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার আলম আজাদ বলেন, “বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসা হয়েছে বলে জেনেছি। আমরা খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।”

এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে এবং অভিযুক্ত শিক্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
April 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© All rights reserved © 2019 TV Site
Developer By Zorex Zira